মুহাররম ১৪৪৫ হিঃ

কিশোর পাতা

দু’দিনের জীবন এবং অনন্ত জীবন!

শেয়ার করুন:     
প্রিন্ট

মানুষ বিভিন্ন সময় বলে এবং নীতিবাক্যরূপে ব্যবহার করে, দুনিয়ার দুদিনের এ জীবন আসলে কিছুই না!

আমিও এভাবেই চিন্তা করতাম। তবে আল্লাহ্র রহমতে আমি একটি নতুন চিন্তা পেয়েছি, তা হলো -

দুনিয়ার জীবন দু’দিনের, তা ঠিক; তবে দু’দিনের বলেই তা তুচ্ছ নয়। কারণ তা অনন্ত জীবনের পথ। দুনিয়ার দু’দিনের জীবন যদি চিন্তার শুভ্রতায় এবং কর্মের পবিত্রতায় আলোকিত হয় তাহলেই তো আমি পেয়ে যাবো অনন্তের সৌভাগ্য! দুনিয়ার দু’দিনের জীবনের উপরই নির্ভর করে অনন্ত জীবনের সৌভাগ্য ও দুর্ভাগ্য। তাই কোরআনের বয়ানে এসেছে, দুনিয়া হলো আখেরাতের চাষাবাদের ক্ষেত্র।....

এক মেহমানের মনের কথা-

খেদমতে খালকের জন্য কোরবানির যে যাবীহাগুলো সংগ্রহ করা হয়েছে, তাদের খেদমতের দায়িত্ব আমাদের উপর অর্পণ করা হয়েছে। যখন খেদমতের জন্য যাবীহাগুলোর কাছে যাই, আমার অন্তরে অপূর্ব এক অনুভতি জাগ্রত হয়। বিশেষ করে একটি বড় যাবীহা, যেমন সুন্দর তেমনই মায়াদার। আজ এশার পর বড় যাবীহাকে একটু আদর করলাম। আমার আদর সে গ্রহণ করলো, কিন্তু একী! তার চোখ থেকে যে অশ্রু গড়িয়ে পড়ছে! আমার মনে হলো, যাবীহাটি আমাকে বলতে চায়, দেখো, আল্লাহ্ হুকুমে নিজেকে আমি তোমার স্থানে কোরবান করছি। আমার কোরবানির বিনিময়ে তুমি যে নতুন জীবন লাভ করছো তা যেন আল্লাহর নাফরমানিতে বরবাদ না হয়, তা যেন মানুষের কল্যাণে নিবেদিত হয়

সিয়াম বিন রেযা, মাদরাসাতুল মাদীনাহ, সপ্তম বর্ষ ৬/১১/৪৪ হি, রবিবার

শেয়ার করুন:     
প্রিন্ট

অন্যান্য লেখা